জেনে নিন স্ট্রোকের লক্ষণ এবং করণীয়

দিন যত যাচ্ছে ততই গরমের তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। বৈশাখ মাস আসতে আসতেই গরমের রীতিমতো হাঁসফাঁস অবস্থা হচ্ছে। আর গরম যতই বাড়ছে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। সাধারণত ৬০ বছরের বেশি বয়সে লোকদের স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি থাকলেও তবে বর্তমানে তরুণ বাস শিশুরাও এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তবে এ গবেষণা দেখা গেছে যে নারীর তুলনায় পুরুষদের প্রবণতা বেশি। হিটস্ট্রোকের রবিরা তাদের আপনজন কেউ চিনতে পারে না এবং কি নিজের নামও সঠিকভাবে বলতে পারেনা। চিকিৎসকের ভাষায় একে বলে শর্ট মেমোরি লস।

জেনে নিন স্ট্রোকের লক্ষণ এবং করণীয়
জেনে নিন স্ট্রোকের লক্ষণ এবং করণীয়

তিন প্রকারের হয়ে থাকে- মাইল্ড  স্ট্রোক, ইস্কেমিক স্ট্রোক, হেমোরেজিক স্ট্রোক।

মাইল্ড  স্ট্রোক- মাইল চোখের রোগের মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ সাময় িকভাবে বন্ধ হয় এবং আবারও চালু হয়। এই ধরনের স্ট্রোক মূলত বড় রকমের স্ট্রোকের পূর্ববর্তী লক্ষণ।

ইস্কেমিক স্ট্রোক- এই ধরনের স্ট্রোকে মস্তিষ্কের এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধে।

হেমোরেজিক স্ট্রোক- হেমোরেজিক স্ট্রোক এ মস্তিষ্কের রক্তনালী ছিড়ে গিয়ে রক্তপাত হয়ে থাকে।

মস্তিষ্কে ুপ কতটা ক্ষতি করবে এটা নির্ভর করে মস্তিষ্কের কোথায় স্ট্রোক হয়েছে এবং কতটা জায়গা জুড়ে হয়েছে তার উপর ভিত্তি করে।

আর এই গরমে ঘরের বাইরে যেতে হিটস্ট্রোকের সম্পর্কের জেনে নেই-

হিট স্ট্রোকের লক্ষণ

  • ঘাম বন্ধ হয়ে যাওয়া হিটটুক এর একটি অন্যতম লক্ষণ
  • হিটস্ট্রোকের আগে বা পূর্বে শরীর শুষ্ক হয়ে আর লালচে হয়ে ওঠা
  • শরীরের ভারসাম্য হীনতা হতে পারে
  • হিটস্ট্রোকের কারনে অস্বাভাবিকভাবে রক্তচাপ কমে যাওয়া
  • হিটস্ট্রোকের সময় শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া
  • দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারে
  • হিটস্ট্রোকের পূর্বে মাথা ঝিমঝিম করা এবং খিচুনি হওয়া
  • প্রস্রাব কম হতে পারে
  • হিটস্ট্রোকের পূর্বে বমি বমি ভাব বা বমি হতে পারে
  • দেহের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা তার বেশি তাপমাত্রা হতে পারে।
  • অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে
  • মুখের এক পাশ বাঁকা হয়ে যেতে পারে
  • হঠাৎ কথা জড়িয়ে আসতে পারে

হিটস্ট্রোক প্রতিরোধে করণীয়

  • হালকা ঢেলেঢালা পোশাক পড়তে হবে। হালকা রঙের পোশাক পড়তে হবে যা সহজেই বাতাস চলাচল করতে পারে।
  • হিটস্ট্রোক হলে আক্রান্তকে যত দ্রুত সম্ভব ঠান্ডা পরিবেশে নিয়ে যেতে হবে।
  • হিটস্ট্রোক রোগীকে শরীরের তাপমাত্রা কমানোর চেষ্টা করতে হবে যে কোন উপায়। হিটস্ট্রোকের ব্যক্তিকে ভেজা কাপড় দিয়ে সমস্ত শরীর মুছে দিতে হবে। প্রয়োজনে ভেজা কাপড় দিয়ে সরিয়ে রাখতে হবে। সেই সাথে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে।
  • দিনের বেশকভাগ সময় যাদের বাইরে বা খোলা আকাশের নিচে থাকতে হয় তাদের একটানা পরিশ্রম না করে কিছু সময়ের জন্য ঠান্ডা বাতাসের নিচে বিশ্রাম নিতে হবে। কাজের ফাঁকে ফাঁকে বিরতি নিয়ে কাজ করা উচিত।
  • হিটস্ট্রোকের ব্যক্তিকে প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা করার পর যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে সেই সাথে চিকিৎসা শুরু করতে হয়।

বলে রাখা ভালো এখানে সবচেয়ে জরুরী এবং প্রয়োজনের বিষয় হলো “সময়“। যদি তাৎক্ষণিক রোগীকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করানো হয় তাহলে মৃত্যুর মুখ থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। হিটস্ট্রোকের রোগী যতদ্রুত চিকিৎসা পাবে রুগীর ক্ষতির আশঙ্কা ততই কম থাকবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top